আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!!

আমরা কোন স্প্যাম পাঠাবোনা। ওয়াদা।

জিববিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জিববিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৫, ২০১৩

৩২ বছর পরেই মানুষ অমরত্ব অর্জন করবে



terminatorপৌরাণিক যুগ থেকে অমরত্বের পিছনে ছুটেও আমরা বিন্দুমাত্র ক্লান্ত নই, সেই অমরত্ব এবার আপনার হাতের মুঠোয়। আর মাত্র ৩২ বছর। তার পরেই আপনি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করতে পারবেন যে আপনি অমর।

এমনটাই দাবি করছেন এক রুশ কোটিপতি দিমিত্রী ইটসকভ। তিনি দাবি করছেন, ২০৪৫ সালের মধ্যেই তিনি এমন এক উপায় আবিষ্কার করবেন যার সাহায্যে মানুষকে অমরত্ব দেওয়া যাবে অনায়াসেই খুব সহজেই। তাঁর আবিষ্কৃত প্রযুক্তির সাহায্যে ‘টার্মিনেটর স্টাইল’ সাইবর্গ (আংশিক মানব,আংশিক যন্ত্র) তৈরি করা যাবে। ডিজিটাল ট্রেন্ড নামক এক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী মানুষের মস্তিষ্ক থেকে তার স্মৃতি ও চেতনা সেই মেশিনের মধ্যে স্থাপন করা হবে। এরফলে সেই মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং স্মৃতি সবই সংরক্ষিত থাকবে।

তবে এই সাইবর্গের কোনও শারীরিক অস্তিত্ব থাকবে না। অস্তিত্ব থাকবে শুধুমাত্র ইন্টারনেটের মতো একটি নেটওয়র্কে। আলোর গতির মতোই দ্রুত বেগে পৃথিবী এবং অন্তঃরীক্ষে ভ্রমণ করতে পারবে এই সাইবর্গ।

ব্যাকটেরিয়া পরস্পরের রক্ষায় সহায়তা করে!


রোগ নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। আবার অনেক রোগের জীবাণু হয়ে উঠেছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী। bbযুক্তরাজ্যের কুইন্স ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. মিগুয়েল ভালভানোর নেতৃত্বে পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধে ব্যাকটেরিয়াগুলো কীভাবে পরস্পরকে রক্ষায় সহায়তা করে। এই আবিষ্কারের ফলে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী নতুন ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে। গবেষণায় জানা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসার সময় বারখোলডেরিয়া সেনোসেপাসিয়ার (বি. সেনোসেপাসিয়া) মতো ব্যাকটেরিয়া নিজেদের রক্ষায় এক ধরনের উপাদান (মলিকিউল) জন্ম দেয়। অ্যামিনো এসিড ব্যবহারে সৃষ্ট এই উপাদান অ্যান্টিবায়োটিক থেকে ই-কোলি, সিএফ প্যাথোজেনসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে রক্ষা করে। ব্যাকটেরিয়ার এই মলিকিউল পরস্পরের মধ্যে বিনিময়ও করে। যাতে অন্য দুর্বল ব্যাকটেরিয়াগুলোকে সবল করে তোলা যায়। গবেষকরা বলেন, ব্যাকটেরিয়াগুলোর আত্মরক্ষার এ প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার হওয়ায় কার্যকর ওষুধ তৈরি সহজ হবে। গবেষুকরা তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে ব্যাকটেরিয়ার এই প্রতিরোধী ব্যবস্থা অকার্যকর করার উপায় বের করা।