আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!!

আমরা কোন স্প্যাম পাঠাবোনা। ওয়াদা।

রবিবার, মার্চ ২৩, ২০১৪

প্রথম টয়লেট টিস্যু !!

বাঙালী ভোজন রসিক। আমাদের রসনার জন্য দেশী মুরগীর রোস্ট যেমন উপাদেয় লালশাক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। ছোট বলে কাউকে অবহেলা করার অবকাশ নেই। খাদ্য গ্রহন দিয়ে আজকের আলোচনা শুরু করলেও আমার বিষয় বর্জন বিষয়ে। চলেন টয়লেটের দিকে যাই। লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই। টিভিতে বসুন্ধরা টয়লেট টিস্যুর বিজ্ঞাপন দিতে পারলে আমি ব্লগে টয়লেট টিস্যু নিয়ে দুকথা লিখতেই পারি। পরিষ্কার...

আকাশ কেন নীল দেখায় ??

অনেকেই বলে থাকেন সাদা কোন রঙ নয়। এটা নাকি সাত রঙের সমষ্টি। আসলেই কি তাই? হুম আসলেই তাই। রাম ধনু বা রঙ ধনু যে সাতটি রঙ দিয়ে তৈরী হয় সাদা রংকে বিশ্লিষ্ট করলে ঠিক সেই সাতটি রঙ পাওয়া যায়। বিজ্ঞানবাদীরা এই সাত রঙ্গকে এক সাথে বলে থাকেন বেনীআসহকলা। বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা লাল। ইংরেজীতে বলে VIBGYOR, ভায়োলেট, ইন্ডিগো, ব্লু, গ্রীন, ইয়েলো,...

বস্তুর ভর ‘হিগস-বোসন’এই ব্রহ্মাণ্ডে প্রায় সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস

বুধবার সার্ন গবেষণাগারের ভিড়ে ঠাসা অডিটোরিয়ামে সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল রল্ফ হয়ের ঘোষণা করলেন, “পেয়েছি। যা খুঁজছিলাম, তা পেয়েছি।” আর ওই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই জানা গেল, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সব চেয়ে ব্যয়বহুল, সব চেয়ে প্রতীক্ষিত পরীক্ষার ফল। জানা গেল, ‘ঈশ্বর কণা’ সত্যি সত্যিই আছে।সেই সঙ্গে শুরু হল গবেষণার নতুন অধ্যায়। কারণ, যে কণাটির খোঁজ...

মাল্টিভার্স তত্ত্ব ও বিজ্ঞানের ভাষায় মানুষ ও অন্যান্য জীবের মৃত্যুর পরের রহস্যময় জগৎ

আমার আজকের বিষয়টা হল মাল্টিভার্স তত্ত্ব ও এর সাথে সম্পর্কিত সব বিষয়গুলো । মাল্টিভার্স কী এই মাল্টিভার্স তত্ত্বের জনক হলেন এ্যলেন গুথ নামক এক ভদ্রলোক । তবে সর্বপ্রথম এই ধরণের একটা ধারণা করেন বিজ্ঞানী জিওনার্দো ব্রুনো । তাকে কোর্পানিকাসের সূর্যকেন্দ্রিক মহাবিশ্ব তত্ত্ব সাপোর্ট করার জন্য পুড়িয়ে মারা হয় । মাল্টিভার্স হল এমন একটি ধারণা যেখানে মনে করা...

স্ট্রিং থিওরীর অ,আ,ক,খ............

এখানে এমন অনেকে আছেন যারা এই নামটা আজই প্রথম শুনলেন ও শুনে অবাক হচ্ছেন । আসলে এটা হল মহাবিশ্বের প্রাথমিক সবকিছুর উৎপত্তি নিয়ে একটা থিওরী । যেটা একট বিশেষ কারণে সৃষ্ট হয়েছিল । ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই । তবে আপনি যদি বিজ্ঞানের ছাত্র হয়ে থাকেন তবে আশা করি একটু ভাল বুঝতে পারবেন । স্ট্রিং থিওরী কী??? এটা হল একটা তত্ত্ব যার প্রবক্তা জন শোয়ার্জ ও এডওয়ার্ড...

সোমবার, মার্চ ১৭, ২০১৪

টাইম মেশিন: সম্ভাবনা আর আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান!

স্বার্থপর বলে একটা শব্দ আছে বাংলায়, আমার এক খুব কাছের মানুষ অবশ্য এ শব্দটাকে বলতো 'স্বার্থনিজ'। অবশ্য সে যখন মুখে একটা মিস্টি হাসি দিয়ে এ কথাটা বলতো তখন মনে হতো সে যা বলেছে তাই ঠিক। আসলে ইদানিং একটা কথা শুধু কথার কথা এজন্য শোনা,'সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী'। কিন্তু আমি বলবো,'জীবনের চেয়ে সময়ের মূল্য অনেক বেশী'। অবশ্য ব্লগে আমি যেভাবে সহজ...

মহাজাগতিক ইতিহাসের ভাষা

এতোদিন ধরে ইতিহাস বলতে আমরা কেবল মানব সভ্যতার ইতিহাসকে বুঝতাম। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবকিছুর মত ইতিহাস সম্বন্ধনীয় এই ধারণাতেও পরিবর্তন এসেছে। ডারউইন যখন প্রাকৃতিক নির্বাচনের ধারণা দিলেন তখন পৃথিবীর জীবকূলের ইতিহাস রচনার চেষ্টা শুরু করলেন অনেকে। এই চেষ্টায় অবশ্য বিজ্ঞানীরাই অংশ নিয়েছিলেন। আধুনিক বিজ্ঞানের যাত্রা শুরুর পর থেকেই ইতিহাস এক ধাপ...

এবার নিজেই তৈরি করুন লাফিং গ্যাস তাও আবার বাড়িতে!!!

আসসালামুয়ালাইকুম। আপনার কি কখনও হাসি আসে না? আমার কিন্তু অনেক হয়। জন্মের পর থেকেই মাথায় একটু কেও চুলকালেও আমার কাতুকুতু লাগে  ! তবে আপনার হাসি না আসলেও সমস্যা নেই। কারণ খুব কঠিন মানুষকেও হাসাতে পারে রাসায়ন। রসায়নের এ বিশেষ রসের নাম হাসি বায়ু বা লাফিং গ্যাস । আমার কথা শুনে হাসবেন না। সত্যি হাসি বায়ুর প্রভাবে সবাই হাসতে বাধ্য।...

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের পরমানু রাজ্য::[পর্ব--৫]

বলেছিলাম পরমাণুর বেডরুমের খবর দেব। সেখানে প্রথম সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিলেন রাদারফোর্ড, কিন্তু তার ফোকাসটা ঠিক খাটে না হয়ে খাটের পাশের বেডসাইড টেবিলটাতে হয়ে গিয়েছিল। সেই ফোকাসটা লাইনে আনেন “নীলস বোর”, করতে গিয়ে পরমাণুতেও ঢুকিয়ে দেন কোয়ান্টাম ধারণা। রাদারফোর্ড ভেবেছিলেন পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন যেখানে খুশি সেখানে ঘুরপাক খায়। বোর ভাবলেন উল্টোটা।...

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের পরমানু রাজ্য::[পর্ব--৪]

বিজ্ঞানীরা সব পদার্থের একটা করে রোল নাম্বার ঠিক করে দিয়েছেন। ৬৬ শুনলে আমাদের রক্ত গরম হয়ে যায়, ভাবি নির্ঘাত ছয় দফা। আর বিজ্ঞানীরা গম্ভীর মুখে বলেন- ডিসপ্রোসিয়াম। ৮০ শুনলে চশমা পড়া গোলগাপ্পা আতেল ছাত্ররা লাফিয়ে ঊঠে ভাবে বুঝি এ+, বিজ্ঞানীরা হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলবেন- হয়নি, ফেল। ওটা হবে এইচ জি অর্থাৎ পারদ। ৩ শুনলেই তারেকাণু’দার মত মিষ্টি...

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের পরমানু রাজ্য::[পর্ব--৩]

 ২। আলোর গল্পটা অনেক পুরানো। এককালে মানুষ ভাবত যে, মানুষ চোখ থেকে আলো বের করে তবেই দেখে। কি সর্বনেশে কথা, নাক দিয়ে সর্দি বের করছি, মুখ দিয়ে থুতু বের করছি, পেছন দিয়ে হাগু বের করছি, ইয়ে দিয়ে... ... নাহ, থাক। মানে বলছিলাম কি, এত কিছুর পরে চোখ দিয়ে আবার সুপারম্যানের মত আলোও বের করতে হবে? কাভি নেহি! কথাটা বলেছিলেন আল হাজেন নামে এক বিজ্ঞানী।...

শুক্রবার, মার্চ ১৪, ২০১৪

যেভাবে কাজ করে সুপার গ্লু !!

সুপার গ্লুর সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কোনো কাঁচের জিনিস ভেঙে গেলে কিংবা কোনো খেলনা ভাঙলেই আমরা ছুটে যাই দোকানে আর নিয়ে আসি এই সুপার গ্লু। কিন্তু এই সুপার গ্লু আসলে কিভাবে কাজ করে? চলুন জানা যাক আজ সেই কথা...সুপার গ্লুর প্রধান উপাদান সায়ানোঅ্যাক্রিলেট, এর রাসায়নিক সংকেত C5H5NO2। সায়ানোঅ্যাক্রিলেট হলো এমন একটি অ্যাক্রিলিক রেসিন...